রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ‘৩৩৩’ এ ফোন পেয়ে খাবার নিয়ে গেল ইউএনও রাজীবুল ইসলাম খান করোনার কারনে পালিত হচ্ছেনা বিশ্বকবি রবি ঠাকুরের ২৫ শে বৈশাখে ১৬০ তম জন্মজয়ন্তী কুষ্টিয়ার কুমারখালী হতদরিদ্রের জন্য বিনামূল্যে মিলছে ঈদ বস্ত্র গেমেস’র নেশায় আসক্ত হয়ে ধ্বংস হচ্ছে হাজারো যুবক বকচরায় মৎস্য ঘের থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার টাঙ্গাইলে র‍্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার কেমন আছেন সাতক্ষীরার ইত্যাদি খ্যাত চুল দিয়ে গাড়ি টানা যুবক আব্দুস সবুর কুমারখালীর শ্রমিকরা পেল প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ নাগরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত কুমিল্লা মুরাদনগরে উপজেলায় পথচারীদের মাঝে যুবলীগের ইফতার বিতরণ

নেত্রকোনা গণপূর্ত বিভাগের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন-১

স্টাফ রিপোর্টার। / ২১৪ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন

নেত্রকোনা গণপূর্ত বিভাগের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন-১

গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলীর কান্ড

স্টাফ রিপোর্টার ঃ নেত্রকোনার গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম-এসও) রুকুনুজ্জামান মূসার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দূনর্ীতির মাধ্যমে জাল-জালিয়াতি করে সরকারী অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। আজ সোমবার সকালে গণপূর্ত বিভাগের ময়মনসিংহ জোনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কার্যালয়ে জেলা কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সদস্য নেত্রকোনা গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) রুকনুজ্জামান মূসার বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিকার ও তদন্ত পূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে বলা হয়, নেত্রকোনা গণপূর্ত বিভাগ ২০১৯-২০ ও ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের থোক বরাদ্ধ ও অচচ’র প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ (ঈচঞট) নীতিমালা ও ম্যাট্রিক পদ্ধতির ধারা অনুসরণ না করে কাজের রেইট গোপন করে টেন্ডার দিয়ে নিবার্হী প্রকৌশলীকে স্থানীয় প্রভাব দেখিয়ে বিভিন্ন ভাবে ম্যানেজ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) রুকনুজ্জামান মূসা তার মনোনীত লাইসেন্স দিয়ে নিয়মিত ঠিকাদারী করে আসছে, যাহা তদন্ত করলে ১ বছরে কোন কোন ঠিকাদারী ফার্মকে বেশি কাজ দেয়া হয়েছে তার নাম বেরিয়ে আসবে। অনেক ঠিকাদারকে তাদের লাইসেন্স এর প্রোফাইল ভারি করার কথা বলে তাদের না জানিয়ে সেই লাইসেন্স দিয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়। যার নেপথ্যে মূসা জড়িত বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়াও নেত্রকোনায় সদ্য প্রতিষ্ঠিত মেডিকেল কলেজের অস্থায়ী কার্যালয়ের মেরামতের জন্য থোক বরাদ্ধকৃত কোটি কোটি টাকা রেইট গোপন করে মূসা তার মনোনীত লাইসেন্স দিয়ে কাজ নিয়ে এবং নিজেই প্রকল্পের (এসও) হয়ে বিল ভাউচার করে অর্থ লোপাট করেছে। অথচ এই এলাকার নিধার্রিত উপ-সহকারী প্রকৌশলীর দায়িত্বে গণপূর্ত বিভাগের অন্য একজন কর্মকর্তা। নাম না প্রকাশ করার শর্তে অফিসের একজন কর্মকর্তা জানান,আমাদের কাজের এলাকার দায়িত্ব ভাগ করা থাকলেও মূসা সাহেব কিভাবে অন্য একজন এসও’র এলাকায় কাজ তদারকি করেন তা আমার জানা নেই । তবে অফিসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ম্যানেজ থাকলে সবই সম্ভব।

অভিযোগে কৃষকলীগের এই নেতা আরো উল্লেখ করেন যে, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মূসা নেত্রকোনা গণ পূর্ত বিভাগে ৩ বছরেরও অধিক সময় কর্মরত থাকলেও গত এক বছরে তিনি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।

এ বিষয়ে নেত্রকোনা গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রুকনুজ্জামান মূসা’র সাথে একাধিক বার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি নানা ব্যস্ততা দেখিয়ে এরিয়ে যান।

জেলা কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সদস্য কেশব রঞ্জন সরকার বলেন, সরকারের উন্নয়ন কাজে যারা অর্থ লোপাটের চিন্তায় থাকে তাদের দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব না এরা সরকারের চলামান উন্নয়নকে ব্যহত করতে চায় তাই তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবী জানাই।

নেত্রকোনা গণপূর্ত বিভাগের নিবার্হী প্রকৌশলী হাসিনূর রহমান এর সাথে একাধিক বার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে বার্তা প্রেরণের মাধ্যমেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগের ময়মনসিংহ সার্কেল এর তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এস এম কামরুজ্জামান বলেন,অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নেত্রকোনা

তারিখ-১৯.০৪.২১


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর ....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর