বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় মুক্তিযোদ্ধার কোটায় পাঁচ বছর পুলিশের চাকরী করছে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার ছেলে কাজল দৌলতপুরে ২৩ বোতল ফেন্সিডিল সহ মাদক কারবারি মোহারম আটক কুষ্টিয়ায় সাব-রেজিস্টার হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি ও একজনের যাবজ্জীবন দৌলতখান উপজেলা যৌতুকের জন্য নির্যাতনের অভিযোগ কুমারখালীর মাদক সম্রাট শাহীন পুলিশের হাতে আটক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিনল্যান্ড পৌঁছেছেন ঈশ্বরদীর উন্নয়নের রুপকার নুরুজ্জামান বিশ্বাসকে গণসংবর্ধনা কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের মাহবুব-ডাবলু পরিষদের প্যানেল পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড কুষ্টিয়ায় ফাষ্টফুড ও মিনি চাইনিজের নামে আমরা কি খাচ্ছি? হাজী ও নান্না বিরিয়ানির নামে প্রতারণা

তালিকায় নামও আছে, তবুও ৪ বছরে মেলেনি কুমারখালী সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের উপবৃত্তির টাকা

এনামুল হক ইমন,কুমারখালী প্রতিনিধি। / ৭৯ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বুধবার, ২৬ মে, ২০২১, ৩:১৬ অপরাহ্ন

 

এনামুল হক ইমন কুমারখালী উপজেলা প্রতিনিধি।  কুষ্টিয়ার কুমারখালী সরকারি বালিকা বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক মো আবুল কাশেম এর দায়িত্ব জ্ঞানহীন অবহেলা ও গাফিলতির কারনে  তালিকায় নাম থাকলেও ৪ বছরে উপবৃত্তির টাকা পায়নি নবম শ্রেণির এক ছাত্রী।টাকার অভাবে বন্ধ হতে বসেছে ভুক্তভোগী ঐই স্কুল ছাত্রীর লেখাপড়া।

ঘটনা সূত্রে জানা যায় ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে পড়াকালীন সময়ে উপবৃত্তির তালিকায় নাম আসলেও মোবাইল নাম্বার ভুলের কারনে একই শ্রেণির আরেক ছাত্রী যে তালিকাভুক্ত নয় তার মোবাইলে টাকা আসে এবং ৪ বছর পর্যন্ত সেই ছাত্রীই উপবৃত্তির সুবিধা ভোগ করছে। দীর্ঘ সময়েও মোবাইল নাম্বার সংশোধন করেনি বা করার প্রয়োজন মনে করেন নি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক।

ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রীর বাবা নুরুজ্জামান জানান, তার মেয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে প্রথম উপবৃত্তির টাকা না পেয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নিকট অভিযোগ দিলে তিনি জানান মোবাইল নাম্বার ভুলের কারনে তার মেয়ের পরিবর্তে একই শ্রেণির আরেক ছাত্রীর ০১৭১০৪৫১১৭৭ নাম্বারে টাকা এসেছে। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে দরখাস্ত দিয়ে ঠিক করা হবে। কিন্তু বর্তমানে তার মেয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ছে এখনো পর্যন্ত উপবৃত্তির টাকা তিনি পাননি।

তিনি আরো জানান তিনি একজন খেটে খাওয়া মানুষ সামান্য আয় করেন। তার মেয়ের টাকা আরেক ছাত্রী যার মোবাইলে আসে তারা অবস্থাশালী স্কুল কর্তৃপক্ষ ইচ্ছে করলে স্কুলে বসেই বিষয়টি সমাধান করতে পারতেন।

এ বিষয়ে কুমারখালী সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম এই প্রতিবেদক কে জানান   উপবৃত্তির ক্ষেত্রে এমন ভুল মোট ৬৯ জন শিক্ষার্থীর হয়েছিল। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে ৬৫ জনের সমাধান ইতিমধ্যে হয়েছে বাঁকী ৪ জনের জন্য আবারও দরখাস্ত দেয়া হয়েছে আশা করছি খুব দ্রুত সমাধান হবে।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুর রশিদ জানান এই প্রতিবেদক কে জানান  আমার কাছে এমন সমস্যা জানিয়ে কোন দরখাস্ত দিয়েছে কিনা মনে করতে পারছিনা। প্রধান শিক্ষক এসে আমাকে জানালে বুঝতে পারবো বিষয়টি কি?


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর ....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর