শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আশেপাশের ওয়ার্ড গুলোতে পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা থাকলেও পৌর ১৪ নং ওয়ার্ডে এই দুর্ভোগ চরমে ফেইসবুকে পোস্ট দেখে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন ভোলা ২ আসনের সংসদ আলী আজম মকুল কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সালাউদ্দিন খান তারেকের নিজ অর্থায়নে ১ টি কন্সেনট্রেটর উপহার দিলেন খোকসায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসাহক আলী’র ভুমিকা প্রশংসনীয় খোকসায় প্রধান মন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ করলেন এমপি ব্যারিষ্টার সেলিম আলতাফ জর্জ সাম্প্রদায়িক শক্তি, ঘুষ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাড়াও-এ্যাড. জয়দেব কুমারখালীতে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোকসায় তাসফিয়া নামের এক শিশু পানিতে ডুবে মৃত্যূ কুষ্টিয়ায় নকল কসমেটিকস কারখানায় অভিযানঃজরিমানা আদায় ০২ লাখ টাকা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামীলীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষ

এক কুমারি মেয়ের ৭ মাসের শিশু পুত্র সন্তানের জন্ম হয়েছে

শাহীনুর রহমান, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি। / ৪১ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১১ জুন, ২০২১, ১০:৪২ অপরাহ্ন

এক কুমারি মেয়ের ৭ মাসের শিশু পুত্র সন্তানের জন্ম হয়েছে।

 

পাটকেলঘাটা থানা পুলিশি হস্তক্ষেপে প্রাণে বাঁচল কুমারী মায়ের নবজাতক শিশু কথায় ।আছে, মারে আল্লাহ রাখে কে? আর রাখে আল্লাহ মারে কে? গ্রাম বাংলার এ প্রবাদটি আরো একবার সত্য প্রমানিত হল, সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তৈলকুপি গ্রামে। সেখানকার জনৈকা কিশোরী কুমারী অবস্থায় অন্তস্বত্ত্বা হয়ে পড়লে স্বজনদের সিদ্ধান্তে ঘটানো হয় অবৈধ গর্বপাত! এরপর নবজাতককে হত্যা শেষে মাটি চাপা দেওয়ারও সিদ্ধান্ত হয়। তবে গর্ভপাত ঘটালেও শেষ রক্ষা হয়নি। হত্যা মিশন মেষ হওয়ার আগেই ঘটনাস্থলে পৌছে যায় পুলিশ। পরে নবজাতককে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে। বর্তমানে নবজাতকটি তার নানীর তত্ত্বাবধায়নে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতলেই চিকিৎসাধীন রয়েছে। তথ্যানুসন্ধানে জানাযায়, পাটকেলঘাটা থানার তৈলকুপির জনৈকা কিশোরী (১৩) কুমারী অবস্থায় অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়লে শুরু হয় নানা গুঞ্জন।

এমনকি গর্ভের সন্তানের পিতৃ পরিচয় নিয়েও শুরু হয় রশি টানাটানি। দরকষাকষিরও ঘটনা ঘটে বিষয়টি নিয়ে। শেষ-মেশ কিশোরীর স্বজনদের সিদ্ধান্ত ও স্থানীয় জনৈকা মহিলা মেম্বর মমতাজ বেগমের নেতৃত্বে ধাত্রী হিসেবেও তার তত্ত্বাবধায়নে গর্ভপাত ঘটানো হয় কিশোরীর। সিদ্ধান্ত হয়, রাতেই নবজাতকটিকে হত্যার পর মাটি চাপা দেওয়া হবে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। হত্যার আগেই পাটকেলঘাটা থানার এস আই সবুজ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে নবজাতকটিকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এদিকে কে বা কারা কি উদ্দেশ্যে নবজাতকটিকে হত্যার পরিকল্পনা করে? তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে। পক্ষে-বিপক্ষে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জণ। তবে নবজাতকটির পিতৃ পরিচয় নিয়ে উদ্ধারকারী পুলিশ কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, ভিকটিম কুমারী মাযের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নবজাতকটির পিতা একই এলাকার শাহাবুদ্দীন বিশ্বাসের ছেলে হযরত আলী বিশ্বাস(২২)।

এব্যাপারে স্থানীয়দের প্রশ্ন ঘটনার বিষয়ে পুলিশে কেন অভিযোগ করা হয়নি? শিশুটির পিতৃ পরিচয় নিশ্চিত হলে কোথাও কোন মামলা বা অভিযোগ না করে কেনই বা তার অবৈধ গভৃপাত ও হত্যা শেষে মাটি চাপা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল? তবে জড়িতদের সাথে কোন চুক্তি হয়েছিল কি? নাকি অন্তরালে রয়েছে অন্যকিছু? এমন অনেক বলা না বলা প্রশ্নবানের মধ্যে একটি প্রশ্ন বারবার ঘুর পাক খাচ্ছে। আর তা হল, আসলেই কি প্রতিবেশী হযরত ঘটনার জন্য দায়ী? নাকি মূল অপরাধীকে বাঁচাতে এটা কোন নয়া কৌশল? অনেকের প্রশ্ন, ভিকটিমের বাড়ী থেকে প্রায় ১ কিঃমিঃ দুরত্বে জনৈক প্রভাবশালীর বাড়ীতে ছিল ভিটিমসহ পরিবারের অবাধ যাতায়াত। অভিযোগের তীর সেদিকেও যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত হযরত আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি কোনভাবেই নবজাতকের পিতা নন। সর্বশেষ নবজাতকের পিতৃ পরিচয় নিশ্চিত করতে শিশুটির ডিএনএ পরীক্ষারও দাবি জানান। রর্তমানে ভিকটিম কুমারী মাতা তার পিত্রালয়ে রয়েছে। অন্যদিকে শিশুটি তার নানীর সাথে সদর হাসপাতালে রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর ....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর