রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ‘৩৩৩’ এ ফোন পেয়ে খাবার নিয়ে গেল ইউএনও রাজীবুল ইসলাম খান করোনার কারনে পালিত হচ্ছেনা বিশ্বকবি রবি ঠাকুরের ২৫ শে বৈশাখে ১৬০ তম জন্মজয়ন্তী কুষ্টিয়ার কুমারখালী হতদরিদ্রের জন্য বিনামূল্যে মিলছে ঈদ বস্ত্র গেমেস’র নেশায় আসক্ত হয়ে ধ্বংস হচ্ছে হাজারো যুবক বকচরায় মৎস্য ঘের থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার টাঙ্গাইলে র‍্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার কেমন আছেন সাতক্ষীরার ইত্যাদি খ্যাত চুল দিয়ে গাড়ি টানা যুবক আব্দুস সবুর কুমারখালীর শ্রমিকরা পেল প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ নাগরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত কুমিল্লা মুরাদনগরে উপজেলায় পথচারীদের মাঝে যুবলীগের ইফতার বিতরণ

কুষ্টিয়ায় বাঁধাকপি পশু খাদ্য হিসেবে বিক্রি হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৮ বার পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ১৪ মার্চ, ২০২১, ৬:৪৪ অপরাহ্ন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃকুষ্টিয়ার কুমারখালীর  গোখাদ্য হিসেবে বিক্রি হচ্ছে বাঁধ কপি। কুষ্টিয়ার কুমারখালীর যদুবয়রাতে বাঁধাকপি গরুর খাদ্য হিসেবে বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিচ ২ থেকে ৪ টাকা এবং ৩০ থেকে ১০০ টাকা দরে প্রতি বস্তা।

কিছুদিন আগেই প্রতি কেজি কপি ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে পানির দরে।

এমন চিত্র দেখা গেছে যদুবযরা জয়বাংলা বাজারের সাপ্তাহিক রবিবার কাচাঁ বাজারে ।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি কেজি এক থেকে দেড় টাকা আর বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা থেকে ১০০ টাকা দরে।

এ নিয়ে কৃষকদের মনে অসন্তোষ। তারা বলছেন, মাঠ থেকে বাজারে পরিবহন খরচ তুলে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। সেই সঙ্গে মাঠে কপির পরিচর্চার টাকা একেবারেই বিফলে। প্রথম দিকে কিছুটা দাম বেশি ছিল, এখন একেবারে পানির দরে বিক্রি করতে হচ্ছে।

কেশপুর গ্রাম থেকে কপি কিনতে আসা সুলাইমান জানান, তিন বস্তা কপি ক্রয় করেছেন ২১০ টাকায় গরুকে খাওয়ানোর জন্য।

যদুবয়রা জয়বাংলা বাজারের দোকানদার লিটন জানান, কয়েক সপ্তাহ আমাদের বাজারে থেকে বিভিন্ন এলাকার গরুখামারিরা তাদের গরুকে খাওয়ানোর জন্য নিয়ে যাচ্ছে বস্তা বস্তা কপি। তিনি নিজেও তার গরুর জন্য প্রতিহাটে কম দামে কপি কিনে নিয়ে যান বলে জানালেন।

তবে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা খুচরা পাইকাররা বস্তাপ্রতি ভালো মানের কপি ১২০ টাকায় ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন। খুচরা বাজারে ২ থেকে ৫ টাকা দরে কপি বিক্রি করছেন তারা।

জানা যায়, যদুবয়রা জয়বাংলা সাপ্তাহিক বাজার উপজেলার অন্যতম সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে নামডাক রয়েছে। তাই এ বাজারে প্রতি সপ্তাহে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসে সবজি পাইকাররা।

কপি বিক্রি করতে আসা পাশ্ববর্তি জেলা ঝিনাইদহের শেখপাড়া থেকে মফিদুল নামের এক কৃষক জানান, একটু ভালো দাম পেলে কীটনাশক ও পরিচর্চার খরচ উঠে আসত। কৃষকদের আর কপি ফসলে লোকসান গুনতে হতো না।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর ....
এক ক্লিকে বিভাগের খবর